Featured Post Today
print this page
Latest Post

মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড - এম এস ওয়ার্ড প্রসেসিং - Microsoft Word

ওয়ার্ড প্রসেসিং ( Microsoft Word) Part 1:

MS-Word:  Microsoft Word হল একটি  এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের নাম। আমেরিকার বিখ্যাত মাই ক্রোসফ্ট কর্পোরেশন কর্তৃক বাজারজাতকৃত Microsoft Word -কে সংক্ষেপে MS-Word বলে। তা Windows -এর অধীনে একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ প্রোগ্রাম। MS-Word দিয়ে লেখালেখির যাবতীয় কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের Drawing -এর কাজ করা যায় । যে সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিটারে লেখা লেখির কাজ করা হয় তাকেই Microsoft Word  বলে।
মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড

Microsoft Word  প্রোগ্রাম ওপেন করার নিয়ম

Start Menu তে কিক করে তারপরAll Programs-এ কিক করলে অনেকগুলো অপশনের নাম আসবে। অর্থাৎ কম্পিউটারের যে সব এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারগুলো দেওয়া আছে তা দেখাবে। এখান থেকে Microsoft Word এর উপর কিক করতে হবে তাহলে পর্দায় লেখার উপযোগি একটি সাদা পাতা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া উইন্ডোজের উপরের অংশে ডান কোনায় শর্টকার্ট মেনু থেকে Word এর আইকনে ক্লিক করেও ওপেন করা যায়( যদি শর্টকার্ট বার বা মেনু ইনষ্টল করা থাকে)। এছাড়া কী বোর্ড শর্টকার্ট তৈরী করে নেয়া যায় এবং তা ব্যবহার করে দ্রুত ওপেন করা যায়।


এম. এস- ওয়ার্ড চালুকরন How To Open Microsoft Word?

প্রথমেই Start Menu তে ক্লিক অথবা Keyboard থেকে Win Key তে ক্লিক করি।
All Programs > Programs > Microsoft Word ক্লিক করি
অথবা - Win+R এর পর Run কমান্ডে winword লিখে Enter চাপুন.।

Microsoft Word   প্রোগ্রাম বন্ধ করার নিয়ম

Microsoft Word  প্রোগ্রাম বন্ধ করার বিভিন্ন নিয়ম বা পদ্ধতি আছে। প্রথমত: মেনু বারের ফাইল মেনুতে ক্লিক করে মেনুস্থ Exit লেখা অপশনে কিক করবো এ ক্ষেত্রে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে এবং এই বক্সের লেখাটি জানতে চায় ফাইল বন্ধ করার পূর্বে আমরা ডকুমেন্ট সেভ পরিবর্তন করবো কিনা। এর ঠিক নীচে Yes/ No দু’টো অপশন থাকবে, এর যে কোনটি চাপলে অর্থাৎ সেভ পরিবর্তন করতে চাইলে Yes আর পরিবর্তন করতে না চাইলে No তে ক্লিক করলে প্রোগ্রাম ফাইল বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও টাইটেল বারের ডান পাশের  প্রতীকের উপর কিক করেও প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

Title Bar (টাইটেল বার)

Microsoft Word সহ উইন্ডোজের যে কোন প্রোগ্রাম ওপেন করলে পর্দার একেবারে উপরে আড়াআড়ি যে লম্বা লাইন দেখা যায় এবং যাতে চলতি প্রোগ্রামের নাম লেখা দেখা যায় তাকে টাইটেল বার বলা হয়। এছাড়া এই বারের একেবারে ডান পাশে   এ ধরনের প্রতীক বিশিষ্ট আরও তিনটি অপশন থাকে যেমন,  মিনিমাইজ,  ম্যাক্সিমাইজ ও  কোজ বক্স। মিনিমাইজ বক্স এ মাউসের ক্লিক করলে চলতি প্রোগ্রামটি উইন্ডোজের নিচে ষ্ট্যাট মেনু বারে চালু অবস্থায় মিনিমাইজ হয়ে থাকবে আবার নিচের সঞ্চিত ঐ বক্সে ক্লিক করলে পুণরায় তা পর্দায় ভেসে উঠবে। ম্যাক্সিমাইজ বক্স এ মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে পাতা ছোট বড় করা যায়। ক্লোজ বক্স এ কিক করে ডকুমেন্ট ক্লোজ করা যায়।

Menu Bar ( মেনু বার)

টাইটেল বারের নীচে একটি লম্বা লাইন বা বার থাকে, যেখানে File, Edit, View, Insert, Format, Tools, Table, Window, Help লেখা বার বা লাইনকে Menu Bar বলে। মেনুর নামের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে। ওপেন হওয়া মেনু বক্সকে পলডাউন মেনু বলে।
File :
File নামের মেনুতে ক্লিক করে New, Open, Close, Save, Save as, Save as web page, Page setup, Print Preview, Print, Exit ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।

New: New এর উপর মাউসের ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+N চেপে কমান্ড দিলে নতুন ডকুমেন্ট পাতা খুলবে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী করা যাবে।
Open: Open মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+O কমান্ড দিয়ে সেভ করা ফাইল দেখা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
Close:  Close মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বন্ধ করা যায়।
Save: Save মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+S কমান্ড দিয়ে ফাইল সেভ করা যায়। কোন ফাইল বা ডকুমেন্ট সেভ করতে কমান্ড দিলে একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে সেখানে জানতে চাইবে ফাইলটি কি নামে সেভ হবে। এক্ষেত্রে নাম সিলেক্ট করে দিয়ে সেভ করতে হবে।
Save as:  Save as   মেনুতে কিক করে ফাইল প্রটেক্ট করা যায়। এছাড়া  Save as web page মেনুতে ফাইলটি ওয়েভ পেজের জন্য সেভ করা যায়।
Page Setup: Page setup মেনুতে ক্লিক করে পাতার সাইজ, স্কেল ইত্যাদি পরিমাপ করে নেয়া যায়।
Print Preview: Print Preview মেনুতে কিক করে ডকুমেন্টটি প্রিন্টিং করা হলে কি আকারে প্রিন্ট হবে তা দেখা যায়।
Print: Print মেনুতে কিক করে অথবা কীবোর্ড থেকে Ctrl+P কমান্ড দিয়ে ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করা যায়।
Exit: Exit মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বা ডকুমেন্ট কোজ করা যায়।

Edit Menu :

Edit নামের মেনুতে ক্লিক করে Undo Typing, Repeat typing, Cut, Copy, Paste, Clear, Select All, Find, Replace, Go to ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Undo: Undo Typing : কোন ডকুমেন্ট মুছে ফেলার পর পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Z কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Redo: Repeat Typing/Redo : মুছে ফেলা কোন ডকুমেন্ট পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Y কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Cut: Cut : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Cut করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+X কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Copy: Copy : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Copy :করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+C কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Paste: Paste : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ কপি করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই Paste মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+V কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Clear: Clear : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য সাধারণত: এই Clear মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে কাজটি করা যায়।
--> Select All:  Select All : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য বা অন্য কোথাও স্থানান্তর বা বিশেষ কোন কাজ করতে চাই তাহলে এই Select All  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+A কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Find:  কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর খুঁজতে এই Find মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে Find মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে কি খুজতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Replace :  কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর পরিবর্তন করতে বা নতুন কোন শব্দ বা অর সংযোজন করতে এই Replace মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Replace  মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে যে শব্দটি পরিবর্তন করতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Go to : অনেক গুলো পাতার ডকুমেন্ট এ এক পাতা থেকে অন্য পাতায় দ্রুত যেতে এই Go to  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে ডায়ালগ বক্সে পাতা নং লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।

View Menu :
View নামের মেনুতে কিক করে Normal, Web Layout, Print Layout, Outline, Ruler, Document Map, Header and Footer, Ful Acreen, Zoom ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Normal : Outline Page Layout পর্দায় উপস্থিত থাকলে তা পরিবর্তন করতে বা স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Normal মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Web Layout : পর্দার চারপাশে মার্জিন তৈরী করতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Web Layout  মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Print Layout : পর্দায় Print Layout  অবস্থানে আনতে বা দেখতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Print Layout :মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Outline : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজের প্রতিটি লাইনে বিশেষ কোন প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই মেনুতে মাউসের পয়েন্টার নিয়ে কিক করলে ডকুমেন্টের প্রতিটি লাইনে বিশেষ চিহ্ন চলে আসবে।
--> Ruler : ডকুমেন্ট পেজের পাশে Ruler  আনতে চাইলে এই মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। আবার Ruler  অদৃশ্য করতে হলে পুণরায় জঁষবৎ মেনুতে কিক করলে তা অদৃশ্য হয়ে যাবে।
--> Document Map : ডকুমেন্ট পেজটিকে আমরা যদি Document Map আকারে দেখতে চাই তাহলে এই Document Map : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।
--> Header and Footer : ডকুমেন্ট পেজের উপরে অংশকে Header এবং নীচের অংশকে Footer : বলে। আমরা যদি Document Page এর প্রতি পাতার উপরে অথবা নীচে কিংবা উপর নীচ উভয় অংশে বিশেষ কোন নির্দেশনা লিখতে চাই তাহলে এই Header and Footer মেনুতে কিক করে বিশেষ নির্দেশনা লিখে ওকে করলে প্রতিটি পাতায় তা প্রদর্শিত হবে।
--> Ful Acreen : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় সম্পূর্ণ রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই Ful Acreen : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। এবং পূর্ব অবস্থায় বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কোজ এ কিক করে তা করা যাবে।
--> Zoom : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় ছোট অথবা বড় রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই  Zoom : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।
Insert Menu :
Insert নামের মেনুতে কিক করে  Break, Page Number, Date and Time, Field, Symbol, Comment, Footnot, Picture, Word Art, Auto Shapes, Tex Box ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট,আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Break :   কোন ডকুমেন্ট পেজ সম্পূর্ণ  বা কোন প্যারাগ্রাফ ব্রেক করে নতুন পাতা বা কলাম সৃষ্টি করতে এই Break :  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।
--> Page Number :   কোন ডকুমেন্ট এর প্রতি পাতায় স্বয়ংক্রীয় ভাবে পাতা নং দিতে চাইলে এই  Page Number   মেনু ব্যবহার করে প্রতিটি পাতায় Page Number  করা যায়।
--> Date and Time:   কোন ডকুমেন্ট এ স্বয়ংক্রীয় ভাবে Date and Time  সংযোজন করতে হলে এই Date and Time মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।
--> Field:   কোন ডকুমেন্ট এ পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হলে এই Field:  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়। Field:  এ কিক করে ডায়ালগ বক্স থেকে Eqation and Formula ব্যবহার করে পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হয়।
--> Symbol :   কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই Symbol মেনুতে কিক করে Symbol  নির্বাচন করে ওকে  করলে Symbol  টি ডকুমেন্টের সাথে সংযুক্ত হবে এবং ক্লোজ বাটন ক্লিক করে শেষ করতে হবে।
--> Comment :   আমরা যদি কোন ওয়ার্ড সম্পর্কে কোন মন্তব্য বা Comment  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Comment মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Footnot :   আমরা যদি কোন পাতার শেষে বা ডকুমেন্টের শেষে কোন মন্তব্য বা Footnot  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Footnot  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ঙশ  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Picture :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন ছবি সংযোজন করতে চাই তা হলে তাহলে এই  Picture  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত Picture   সিলেক্ট করে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Word Art :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই  তা হলে তাহলে এই Word Art  মেনুতে কিক করে Word Art Galary থেকে  নির্ধারিত Word Art সিলেক্ট করে ওকে  করে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Auto Shapes :  Insert >Picture > Auto Shapes এখন ডকুমেন্ট এ যে সেফ সংযোজন করতে চাই তার উপর মাউসের কিক করে অর্থা
 ড্রাগ করে তা অংকন করা যাবে বা কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
--> Text Box: Text Box   লেখার বক্স। আমরা যদি কোন Document এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই তা হলে তাহলে এই Text Box মেনুতে কিক করলে একটি Text Box পর্দায় আসবে যার ভিতরে হামেশা লেখা যাবে।

--> Format Menu :
Format নামের মেনুতে কিক করে Font, Paragraph, Tabs, Border and Shading, Change Case, Drop Cap, Bullets and Numbering, Style Gallery, Style, Background, Columns ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Font : Font   বা অক্ষর। এই মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্ট এ ইরেজী অথবা বাংলার বিভিন্ন ষ্টাইলের  লেখার অর নির্বাচন করে নিতে পারি।
--> Under Line : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের নীচে দাগ দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font >           Under Line > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + U কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Bold : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের রং গাড় করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font > Bold        > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + B কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
-->  Italic : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশ অথবা সম্পূর্ণ অংশ ইটালিক করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font > Italic > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + I কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Font Size : আমরা যদি আমাদের লেখার অরগুলোকে ছোট অথবা বড় আকারে লিখতে চাই তাহলে এই মেনু ব্যবহার করে তা করা যাবে। ব্যবহার পদ্ধতি অক্ষর ব্লক করে নিয়ে Format > Font > Font Size > Ok অথবা অক্ষর ব্লক করে নিয়ে কীবোর্ডের Ctrl + ] কমান্ড দিয়ে অক্ষর বড় এবং  Ctrl + [ কমান্ড দিয়ে অক্ষর ছোট করার কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Paragraph : এই Paragraph মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্টে লাইন স্পেজ ছোট বড় সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারি।
--> Tabs : আমরা যদি ডকুমেন্ট এ Tabs  সেট করতে চাই তাহলে এই Tabs  মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।
--> Border and Shading : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন আর্ট বা Document এ অথবা পাতার চার পাশে Border অথবা Shado বা ছায়া সেট করতে চাই তাহলে এই Border and Shading মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।
--> Change Case : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন Document এ লেখার ষ্টাইল ছোট হাতের বা বড় হাতের লেখা করতে চাই তাহলে Change Case   মেনুস্থ Upper Case  অথবা Lower Case মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। আবার যদি শব্দের প্রথম অর ছোট বা বড় করতে Title Case ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
--> Drop Cap : কোন Document এর প্রথম অর বড় করতে হলে Drop Cap  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। অথচ ডকুমেন্টের লাইন স্পেস ঠিক থাকবে।
--> Bullets and Numbering : কোন Document এর Page Numbering করতে হলে Bullets and Numbering  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।

--> Background : কোন  Document এর Page Background রঙিন করতে হলে Background মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Columns : কোন Document কে Columns  হিসেবে প্রকাশ করতে চাইলে Columns  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।

--> Tools  : Tools নামের মেনুতে কিক করে Spelling and Grammar, Word Count, Auto Correct, Mail Merge, Macro ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Spelling and Grammar : কোন Document এর ভিতরে কোন বানান শুদ্ধ করতে Spelling and Grammar মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Word Count : শব্দ গননা আমরা যদি Document এর শব্দ গননা করতে চাই তা হলে এই Word Count  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Auto Correct : Document  তৈরী করা বা লেখার সময় স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভূল সংশোধন করতে
Auto Correct মেনু  ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Window Menu :
 Window  নামের মেনুকে ব্যবহার করে New Window, Arrange All, Split  এর কাজ করা যায়।
--> New Window: এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক ডকুমেন্ট-এ কাজ করলে উক্ত ডকুমেন্ট তালিকা  New Window  তে জমা রাখা এবং এখান থেকে কোন ডকুমেন্ট বা ফাইল ওপেন করা যায়।
     --> ব্যবহার পদ্ধতি : Window > New Window > নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট/ ফাইল এ কিক করে কাজটি করা যায়।
     --> Arrange All:  এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক বা যতগুলো ডকুমেন্ট ওপেন থাকবে তা একসাথে দেখা যাবে।
     ---> ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Arrange All এ কিক করে কাজটি করা যায়।
    -->  Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা।
 ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Split  এ কিক করে মাউসের পয়েন্টার যেখানে কিক করা হবে পেজটি সেখান থেকে বিভক্ত হয়ে যাবে।
--> Remove Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা পদ্ধতি অর্থাৎ Split  উঠিয়ে দেয়া।
     ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Remove Split  এ কিক করে কাজটি সহজে করা যাবে।

স্টান্ডার্ড টুলবার:

মেনুবারের নীচে বিভিন্ন প্রতীক সম্বলিত বারকে স্টান্ডার্ড টুলবার বলে। প্রতিটি প্রতীক বা আইকনকে এক একটি টুল বলা হয়। মেনু সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় কমান্ড না দিয়ে সরাসরি টুলবারের আইকন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করা যায়। এতে সময়ও কম লাগে।

 টেক্স ফর্মেটিং টুলবার:

টুলবারের নীচের সারিতে বিদ্যমান বারটিই  টেক্স ফর্মেটিং টুলবার। এতে বিদ্যমান অপশনগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করে ফন্ট পরিবর্তন, ফন্ট ছোট বড় করা, বোল্ড করা, আন্ডার লাইন করা, ইটালিক, এলাইনমেন্ট নির্ধরণ করা সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।

রুলার:

ফর্মেটিং টুলবারের নীচে স্কেল এর ন্যায় বারকে রুলার বলে। রুলার বিভিন্ন পরিমাপের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে।

স্ট্যাটাস বার :

পর্দার একেবারে নীচে Page-1, see, At  ইত্যাদি লেখা বারকে স্ট্যাটাস বার বলে। Page-১ দ্বারা কার্সর ১ নং পাতায় আছে বোঝাচ্ছে।
 ড্রইং বার
স্ট্যাটাস বার এর উপরে Draw, Autoshapes  ইত্যাদি লেখা সহ বেশ কিছু সংখ্যক আইকন সম্বলিত বারকে ড্রইং বার বলে। বিভিন্ন ড্রইং এর কাজ সহজ করতে এই বারের প্রয়োজনীয় আইকন ব্যবহার করা হয়।

স্ক্রল বার

পর্দার নীচে ডানে ও বামে  এবং পর্দার ডান পাশে উপরে ও নীচে ছোট তীর চিহ্নিত মধ্যবর্তী বারকে স্ক্রল বার বলে। এর সাহায্যে লেখার সীট বা চলতি প্রোগ্রামকে ঊপরে- নীচে ও ডানে- বামে সরানো যায়।

মাউস পয়েন্টার

কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত অনেকটা ইঁদুরের মত দেখতে ডিভাইসটির নাম মাউস। কম্পিউটার ওপেন করলেই পর্দার উপর একটি এ্যরো বা তীর চিহ্নিত  দেখা যায়। মাউস নাড়ালে তীর চিহ্ন নড়া চড়া করে। কম্পিউটারের ভাষায় এই এ্যারো বা তীর চিহ্ন কে মাউসের পয়েন্টার বলা হয়। একে ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড করা হয়। মাউসের পয়েন্টার সব সময় এ্যারো চিহ্নের মত দেখায় না কার্যেক্ষেত্রে ইহা বিভিন্ন আকৃতি ধারন করে।

ক্লিক করা

মাউসের বাম অথবা ডান পাশের বোতাম চেপে কমান্ড করাকে কিক করা বলে। একবার চাপলে সিঙ্গেল কিক, দুইবার চাপলে ডবল কিক বলে।

ড্রাগ করা

ড্রাগ করা অর্থ হলো কিক করে মাউসের বোতাম চেপে রেখে উপরে – নীচে, ডানে-বামে বা প্রয়োজন মত স্থানে ছেড়ে দেওযাকে ড্রাগ করা বা মুভ করা বলে।

কন্ট্রোল বক্স

টাইটেল বারের বাম পাশে W চিহ্নিত আইকন বা চিত্রকে কন্ট্রোল বক্স বলে। সরাসরি এটার উপর কিক করে বা Alt+Spacebar  চাপলে একটি মেনু ওপেন হয়। এ মেনুকে কন্ট্রোল মেনু বলে। এ মেনুস্থ বিভিন্ন অপশনসমূহ নির্বাচন করে পর্দায় উইন্ডো প্রদর্শন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ঃ
Restore : নির্বাচন করলে ইতিপূর্বে কোন পরিবর্তন করে থাকলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।
Move :  নির্বাচন করে  F1 কী চেপে মাউস পয়েন্টার মুভ করায়ে উইন্ডো স্থানাস্তর করা যায়।
Size : নির্বাচন করে উইন্ডোর বর্ডার লাইনের মাঝে মাউস পয়েন্টার নিয়ে চেপে ধরে বাড়িয়ে বা কমিয়ে বক্সে একবার কিক করলে কন্ট্রোল মেনু ওপেন হবে কিন্তু ডবল কিক করলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।
Control Toolbox   (কন্ট্রোল টুল বক্স)
মেনু বারের View মেনুস্থ Toolbars এর মধ্যে প্রবেশ করে Control Toolbox এ টিক দিয়ে ওকে  করলে পর্দার বামপাশে একটি বক্স চলে আসবে কম্পিউটারের ভাষায় এটাকে Control Toolbox বলে।
ব্যবহার পদ্ধতি : Menu Bar > View > Toolbars > Control Toolbox > Ok
Dialog Box :
উইন্ডোজে বিভিন্ন মেনুস্থ অপশন সিলেক্ট করলে পর্দায় বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত একটি বক্স প্রদর্শিত হয়, কম্পিউটারের ভাষায় উহাই ডায়ালগ বক্স নামে পরিচিত। কোন কাজের জন্য উইন্ডোজে বাড়তি কোন তথ্যের প্রয়োজন হলে ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ডায়ালগ বক্সে বিভিন্ন অপশনে মাউস পয়েন্টার নিয়ে কিক করে অথবা ট্যাব কী চেপে কোন অপশনে গিয়ে এন্টার কী চাপলে অপশনটি কার্যকর হয়। কোন অপশনের নামের কোন অর আন্ডার লাইন করা থাকলে Alt কী চেপে ধরে এ অরটি চাপলে অপশনটি কার্যকর হবে।
0 comments

কম্পিউটারের কী বোর্ড 'র পরিচিতি - কী বোর্ড টিপস - Keyboard

কম্পিউটারের কী বোর্ড (Keyboard) কি তা আগের পোস্টে বিস্তারিত আলচনা করা হয়েছে, আপনাদের সুবিধার জন্য সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করা হল- কী বোর্ড হল একটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটারের সাথে মানুষের যোগাযোগ রা করাই হচ্ছে ইনপুট ডিভাইসের কাজ। যে কোন ধরনের ডাটাকে বাইনারী ইক্ট্রোনিক্স সিগন্যাল ( জিরো এবং ওয়ান) এ পরিণত করে সিপিইউ-এ পাঠানো হয়। কারণ সিপিইউ এই (০, ১) ছাড়া অন্য কোন কিছু বুঝতে পারে না।
কম্পিউটারের কী বোর্ড 'র পরিচিতি
 

কী-বোর্ড পরিচিতি-

কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০২টি কী আছে। ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কী-বোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
(১) ফাংশন কী।
(২) অ্যারো কী।
(৩) আলফা বেটিক কী।
(৪) নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী।
(৫) বিশেষ কী।

ফাংশন কী (Function Key)

কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1  থেকে F12  পর্যন্ত যে কী গুলো আছে এদরকে ফাংশন কী বলে। কোন নির্দিষ্ট কাজ করা যায় বলে একে ফাংশন কী বলে। যেমন কোন প্রোগ্রামের জন্য help, অথবা কোন প্রোগ্রাম রান করানো ইত্যাদি কাজে এই কী এর ব্যবহার করা হয়।

অ্যারো কী (Arrow Key)

কী বোর্ডের ডান দিকে নিচে পৃথক ভাবে চারটি কী আছে। কোন কোন কী বোর্ডে উপরের দিকেও থাকে। কীগুলোর উপরে অ্যারো বা তীর চিহ্ন দেওয়া থাকে। যা দিয়ে খুব সহজেই কার্সরকে ডানে, বামে, উপরে এবং নীচে সরানো যায়। এগুলিকে আবার এডিট কীও বলে। কারণ টেক্স এডিট করার কাজেও এ কীগুলো ব্যবহার করা হয়।

আলফা বেটিক কী (Alpha Numeric key)

কী বোর্ডের যে অংশে ইংরেজী বর্ণমালা A  খেকে Z পর্যন্ত অরগুলো সাজানো থাকে সেই অংশকে আলফাবেটিক সেকশন/অংশ বলে।

নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী (Numeric / logical Key)

কীবোর্ডের ডানদিকে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা লেখা যে কীগুলো রয়েছে তাকে নিউমেরিক কী বলে। এখানে +, -,  *, / প্রভৃতি অ্যারিথমেটিক অপারেটর থাকে। এছাড়াও  <, >, = লজিক্যাল অপারেটরগুলো কী বোর্ডে থাকে।

বিশেষ কী (Special Key)

উল্লেখিত কী গুলো ছাড়া কী-বোর্ডের অন্যান্য কী সমূহ কোন না কোন  বিশেষ কার্য সম্পাদন করে বলে  এদেরকে বিশেষ কী বলা হয়। নিম্নে বিশেষ কী সমূহ সম্পর্কে সংপ্তি বর্ণনা দেওয়া হলো।

Esc : এই কী এর সাহায্যে কোন নির্দেশ বাতিল করতে হয়।

Tab :  পর্দায় প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।
Caps Lock : এই কী ব্যবহার করে ইংরেজী ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।

Shift : একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় ও ছোট অর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়। যেমন : Dhaka, Khulna শব্দ দু’টি লিখতে প্রথম অরে শিফ্ট কী চেপে ধরে এবং পরের অর গুলো শিফ্ট কী ছেড়ে দিয়ে লিখতে হবে। আর বাংলা অর বা বর্ণমালা লেখার েেত্র অর বিন্যাস্ত কী এর উপরের ও নীচের লেখা টাইপের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। এছাড়া শিফ্ট কী এর সাথে ফাংশন কী চেপে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।

Ctrl : এই কী এর সাথে বিশেষ কী একসাথে চেপে কমান্ড দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য কীবোর্ডের ডানে ও বামে এই কী ২টি থাকে।

Alt : বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য এই কী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন কমান্ড তৈরী করা যায়।

Enter : কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করতে এই কী ব্যবহার হয়। লেখা লেখির জন্য নতুন প্যারা তৈরী করতেও এই কী ব্যবহার করা হয়।

Pause Break : কম্পিউটারে কোন লেখা যদি দ্রুত গতির জন্য পড়তে অসুবিধা হয় তা হলে এই কী চেপে তা পড়া যায়।

Print Screen: কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্যত যা কছিু থাকে তা সব প্রিন্ট করত চাইলে এই কী ব্যবহার করতে হয়।

Delete : কোন বাক্য, অর বা কোন লেখাকে মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।

Home : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে পাতার প্রথমে আনা হয়।

End : এই কী চাপলে কার্সার বা পয়েন্টার যেখানেই থাকুক না কেন টেক্স বা পাতার শেষে চলে আসবে।

Page Up : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে উপরের দিকে উঠানো হয়।

Page Down : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে নীচের দিকে নামানো হয়।
Insert :  কোন লেখার মাঝে কোন কিছু লিখলে তা সাধারণত লেখার ডান দিকে লেখা হয়, কিন্তু এই কী চেপে লিখলে তা পূর্ববর্তী বর্ণের উপরে ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

 Back Space : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।

 Space Bar : কী বোর্ডের কীগুলোর মধ্যে এই কী টি সবচেয়ে লম্বা কোন বাক্য লেখার সময় শব্দ গুলোর মাঝে ফাঁকা করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।

 Num Look : এই কী চাপা থাকলে ডান দিকের কী গুলো চালু হয়।

এছাড়া মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ডে আরও ৪ টি কী থাকে যেমন ঃ
 Stand by Mood : এই কী চেপে রাখলে কম্পিউটার চালু থাকবে কিন্তু মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে।

 Mail key : এই কী চেপে আউটলুক এক্সপ্রেস চালু হয় এবং তা দিয়ে মেইল পাঠানো যায়। তবে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।

 Web key : এই কী ব্যবহার করে সরাসরি ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করা যায়। এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যায়।

 Start Menu key: এই কী চেপে ষ্ট্যাট মেনু ওপেন করা যায় এবং প্রয়োজনীয় কমান্ড করা যায়।
0 comments

কম্পিউটারের ALT কী দিয়ে সেরে ফেলুন মাজার মজার কাজ

কম্পিউটারের CTRL, DEL, NUM .... ইত্যাদি কি ব্যবহার করলেও আমরা ALT কী এর কথা ভুলেই যাই। অনেকের ধারনা ALT কী শুধু Menu Bar একটিভ করতেই ব্যবহার কারা হয়। কিন্তু ALT কী দিয়ে যে মজার মজার কাজ সেরে ফেলা যায় তা হয়তো অনেকই জানি না। ধরুন কোনো লেখার ভিতর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় SYMBOL বা চিহ্ন দেওয়া প্রয়োজন পরে তখনই কিন্তু ALT কী ব্যবহার করে হয়। বন্ধুরা নিচে একটি লিস্ট দিয়ে দিলাম যেখানে বেশ কিছু প্রয়োজনীয়  SYMBOLS বা চিহ্নের শর্টকাট কী রয়েছে। আপনারা সেখানে দেওয়া নাম্বার গুলো মনে রাখলেই খুব সহজে এই চিহ্ন গুলো লেখার মাঝে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এর জন্য আপনাকে কীবোর্ড এর Alt বাটন চেপে ধরে রেখে কীবোর্ড এর ডানে অবস্থিত Numeric (নাম্বার) বাটন গুলো থেকে 1234 ইত্যাদি নাম্বার ব্যবহার করতে হবে। তাহলে নিচে দেওয়া শর্টকাট কী গুলো দেখে দেখে আপনার প্রয়োজনীয় চিহ্নের নাম্বারটি মনে রেখে দিন।
কম্পিউটারের ALT কী দিয়ে সেরে ফেলুন মাজার মজার কাজ

চিহ্ন গুলি হল- 
Alt + 0153….. ™… trademark symbol
Alt + 0169…. ©…. copyright symbol
Alt + 0174….. ®….registered trademark symbol
Alt + 0176 …°……degre­e symbol
Alt + 0177 …±….plus-or­-minus sign
Alt + 0182 …¶…..paragraph mark
Alt + 0190 …¾….fractio­n, three-fourths
Alt + 0215 ….×…..multi­plication sign
Alt + 0162…¢….the cent sign
Alt + 0161…..¡….. .upside down exclamation point
Alt + 0191…..¿….. ­upside down question mark
Alt + 1………..smiley face
Alt + 2 ……☻…..bla­ck smiley face
Alt + 15…..☼…..su­n
Alt + 12……♀…..f emale sign
Alt + 11…..♂……m­ale sign
Alt + 6…….♠…..s­pade
Alt + 5…….♣…… ­Club
Alt + 3…………. ­Heart
Alt + 4…….♦…… ­Diamond
Alt + 13……♪…..e­ighth note
Alt + 14……♫…… ­beamed eighth note
Alt + 8721…. ∑…. N-ary summation (auto sum)
Alt + 251…..√…..s­quare root check mark
Alt + 8236…..∞….. ­infinity
Alt + 24…….↑….. ­up arrow
Alt + 25……↓…… ­down arrow
Alt + 26…..→…..ri­ght arrow
Alt + 27……←…..l­eft arrow
Alt + 18…..↕……u­p/down arrow
Alt + 29……↔… left right arrow
Alt + 0128….€…. Euro

এই ধরুন আমি ' √ ' (s­quare root check mark) চিহ্নটি লিখতে হবে তাহলে প্রথমে ALT কী চেপে ধুরুন তারপর 251 চাপুন। ব্যাস ! এভাবে উপরের যেকোন সিম্বল যেখানে খুশি ব্যবহার করুন।
0 comments

সি++ প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল, C++ Programming

সি++ প্রোগ্রামিং

সি++ (উচ্চারণ: সি প্লাস প্লাস) একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৮০ সালে বিয়ার্নে স্ট্রাউসট্রপ (Bjarne Stroustrup) যুক্তরাষ্ট্রের এটিএন্ডটি বেল ল্যাবরেটরিতে (AT&T Bell Laboratory) এটি ডেভেলপ করেন। মূলত সিমুলা৬৭ এবং সি প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয় সাধন করে সি++ তৈরি হয়।
সি++ প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল, C++ Programming



এটি একটি মধ্যম শ্রেণীর প্রোগ্রামিং ভাষা যাতে উচ্চ শ্রেণী এবং নিম্ন শ্রেণীর ভাষাগুলোর সুবিধা সংযুক্ত আছে। এটি সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা এবং সফটওয়্যার শিল্পে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিস্টেম সফটয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ডিভাইস ড্রাইভার, এম্বেডেড সফটওয়্যার, উচ্চ মানের সার্ভার ও ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন, বিনোদন সফটওয়্যার যেমন- ভিডিও গেম ইত্যাদি ক্ষেত্রে সি++ ব্যবহৃত হচ্ছে। সি++ এর বিভিন্ন মুক্ত এবং মালিকানাধীন কম্পাইলার আছে যা বিভিন্ন দল যেমন- জিএনইউ প্রকল্প, মাইক্রোসফট, ইন্টেল এবং বোরল্যান্ড সরবরাহ করে। সি++ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষাকে প্রভাবিত করেছে যার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জাভা।

সি এর সাথে এখানে যা সংযুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল- প্রথমে শ্রেণী (classes), পরবর্তীতে ভার্চুয়াল ফাংশন, অপারেটর ওভারলোডিং, মাল্টিপল ইনহেরিটেন্স, টেমপ্লেটস, ব্যতিক্রম গ্রহণ করার ক্ষমতা (exception handling), পলিমরফিজম ইত্যাদি।

সি++ এর ইতিহাস

বিয়ার্নে স্ট্রাউসট্রপ (Bjarne Stroustrup) ১৯৭৯ সালে 'সি' নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। পি.এইচ.ডি ডিগ্রী অর্জনের জন্য গবেষণা করতে গিয়ে তিনি নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করার কথা ভাবেন। স্ট্রাউসট্রপ খেয়াল করেন যে, বড় পরিসরের সফটওয়্যার উন্নয়নে সিমুলা প্রোগ্রামিং ভাষা বেশ কার্যকরী। কিন্তু ভাষাটি অনুশীলনের ক্ষেত্রে বেশ ধীর গতির, আবার বিসিপিএল বেশ দ্রুত কিন্তু বড় পরিসরের সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য তেমন শক্তিশালী নয়। বিয়ার্নে স্ট্রোভ্‌স্ট্রুপ যখন AT&T Bell Labs এ কাজ শুরু করেন তখন ইউনিক্স কার্নেল নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হন। তিনি 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় সিমুলা এর সুবিধা গুলো অন্তর্ভুক্ত করার কাজে নিয়োজিত হন। এ কাজে 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষাকে নির্বাচন করা হয় কারণ এটি সহজ, দ্রুততর, সহজে বহনযোগ্য এবং এর ব্যবহার ব্যাপক। সি এবং সিমুলা ছাড়াও তিনি আরো কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা নিয়ে গবেষনা করেন যেমন: আলগোল ৬৮, অ্যাডা, সিএলইউ এবং এমএল।

সি++ এর নামকরণ

সি++ নামটি এসেছে সি নামক প্রোগ্রামিং ভাষা থেকে। সি ভাষাতে পর পর দুটি যোগ চিহ্ন ব্যবহার করার অর্থ হলো কোন কিছুর মান এক বাড়ানো। অনেকটা সেই অর্থেই সি প্রোগ্রামিং-এর এক ধাপ উপরের একটি প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে সি++ নামকরণটি এসেছে। উৎস- wikipedia.org
0 comments

কীবোর্ডের F ও J লেখা বোতামের উপরে উঁচু দাগ থাকে, কেন জানেন কি

কীবোর্ড শর্টকাট কী নিনে এর আগে অনেক পোষ্ট করা হয়েছে। আজকে একটু কীবোর্ডের ভিন্ন ধর্মী পোষ্ট শেয়ার করছি। আমরা কম্পিউটারের কীবোর্ড সর্বদা ব্যবহার করলেও অনেকের কাছে এখনও কীবোর্ডের কিছু কিছু তথ্য অজানা। যেমন - কি বোর্ডে 'F' ও 'J'-র উপরে একটি করে লম্বাটে উঁচু দাগ থাকে কেন জানেন কি? না জানলে জেনে নিন -


কীবোর্ডের F ও J লেখা বোতামের উপরে উঁচু দাগ থাকে, কেন জানেন কি

  • একঃ কি বোর্ডের উপরে 'F' ও 'J' লেখা বোতামের উপরে একটি করে উঁচু দাগ থাকে। যদি দেখেন কোনও কি বোর্ডে তা নেই তাহলে বুঝবেন কি বোর্ডটি ১৫ বছরের বেশি পুরনো।
  • দুইঃ- এই ধরনের উঁচু দাগ থাকার ফলে কোন বোতাম কোথায় রয়েছে তা সম্পর্কে আন্দাজ করতে বিশেষ সুবিধা হয়। ফলে টাইপ অনেক বেশি গতিশীল হয়।
  • তিনঃ-এই দুটি বোতামে হাত রেখেই নিজেদের সেট করে নেন পেশাদার টাইপিস্টরা। ফলে কি বোর্ডের দিকে না তাকিয়েই অনায়াসে লিখতে পারেন তারা। 
  • চারঃ- সব ধরনের কি বোর্ডেই এই উঁচু দাগ থাকে। কোনও মানুষ দৃষ্টিশক্তি কমে আসলে কি বোর্ডে টাইপ করতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। তবে যদি 'F' ও 'J' কে আঙুলের ডগায় নিয়ে টাইপ করেন তাহলেও অনেক সহজে কোনও লেখা লিখতে সুবিধা হবে।
0 comments

অটোক্যাড এর দরকারিয় শর্টকাট কী - AutoCAD

অটোক্যাড (AutoCAD - Computer Aided Design ) একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার। এটি অটোডেস্ক ইনকর্পোরেটেড কর্তৃক উদ্ভাবিত টুডি (2D) এবং থ্রিডি (3D) ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার। অটোক্যাড এর ক্যাড (CAD) শব্দের অর্থ হলো কম্পিউটার এইডে্ড ডিজাইন (Computer Aided Design)। যার শাব্দিক অর্থ হলো কম্পিউটারের সাহায্যে নকশা অঙ্কন। অটোক্যাডের সাহায্যে সাধারণ ড্রইং ছাড়াও ডিজাইন, ব্লক, সিম্বল, লোগো ডিজাইন, গ্রিল ডিজাইন, এমব্রয়ডারী ডিজাইন ইত্যাদি সহজে তৈরি করা যায়।
অটোক্যাড

অটোক্যাড  AutoCAD শর্টকাট কী পর্ব- ১


শর্ট কী
শর্ট কী এর ব্যবহার
A
ARC আঁকার জন্য
AL
কোনো অবজেক্টকে অন্য অবজেক্টেও সাপেক্ষে Align করার জন্য
AR
ARRAY ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে
C
CIRCLE আঁকার জন্য
CO
কোন অবজেক্টকে Copy করার জন্য
CHA
Chamfer তৈরীর জন্য
COL
COLOR ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে
D
Dimension Style Manager ওপেন হবে
DI
Distance বা দূরত্ব পরিমাপের জন্য
DO
 Solid শেপ বৃত্ত আঁকার জন্য
E
 কোন অবজেক্ট বা অবজেক্টের অংশ বিশেষ মুছার জন্য
EX
অবজেক্টের পরিধি বর্ধিত করার জন্য
F
FILLET করার জন্য
FLATTEN
 কোন 3D অবজেক্টকে 2D করার জন্য
G
GROUP ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
H
HATCH ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
IM
ড্রয়িংয়ে IMAGE ইনসার্ট করার জন্য
JPGOUT
 ড্রয়িংকে JPG ফরমেটে সেইভ করার জন্য
L
LINE আঁকার জন্য
LA
Layer Properties Manager ওপেন হবে
LEAD
তীর চিন্থ আঁকার জন্য
LI
অটোক্যাড টেক্সট উইন্ডো ওপেন হবে
LO
LAYOUT অপশনগুলি দেখা যাবে
LTS
লাইনটাইপ স্কেল পরিবর্তন করে
M
কোন সিলেক্টেড অবজেক্টকে Move করার জন্য ব্যবহৃত হয়
MA
দুট অবজেক্টের Properties এক করার জন্য
MI
অবজেক্টকে Mirror করার জন্য
O
Offset তৈরীর জন্য
P
 ড্রয়িং বড় করে দেখার একটি প্রক্রিয়া
PL
Polyline আঁকার জন্য
PLOT
plot/print ডায়ালগ বক্স ওপেন করে
DDPTYPE
pointstyle পরিবর্তন করা যায়
PR
 PROPERTIES ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
REC
Rectangle আঁকার জন্য
REN
Blocks,  Layer  ইত্যাদির নাম পরির্বতনের জন্য
RO
কোন অবজেক্টকে রোটেট বা ঘুরানোর জন্য
SP
 টেক্সেটের বানান চেক করার জন্য
T
Multiline Text লিখার জন্য
TB
TABLE আঁকার জন্য
TR
Trim করার জন্য
U
শেষ কমান্ডটিকে Undo করার জন্য
UN
 UNITS ডায়ালগ বক্স ওপেন করে
V
 VIEW ডায়ালগ বক্স ওপেন করে
Z
 ZOOM করার জন্য
CTRL+1
 properties প্যানেল on/off হবে
CTRL+2  
ডিজাইন সেন্টার অন/অফ হবে
CTRL+3
 Tool Palettes অন/অফ হবে
CTRL+8
 Calculator window অন/অফ হবে
CTRL+A
সবকিছু সিলেক্ট হবে
CTRL+C
কোন অবজেক্ট কপি করার জন্য
CTRL+H
 গ্রুপ অন/অফ হবে
CTRL+J
 শেষ কমান্ডের পুনারাবৃত্তির জন্য
CTRL+N
NEW ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
CTRL+O
Open ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
CTRL+P
PLOT ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
CTRL+S
SAVE ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
CTRL+SHIFT+S
Save as ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
CTRL+V
কোন অবজেক্ট Paste করার জন্য
CTRL+X
কোন অবজেক্ট Cut করার জন্য
CTRL+Y
REDO করার জন্য
CTRL+Z
UNDO করার জন্য
DDI
 সার্কেল/আর্কের ডায়ামিটার প্রর্দশন করে
ML
 Multilines টেক্সট লিখার জন্য
POL
POLYGON আকাঁর জন্য
LW
LWEIGHT ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে
F1
HELP ওপেন হবে
F2
 অটোক্যাড টেক্সট উন্ডো ওপেন হলে
F7
 GRID অন/অফ হবে
F8
ORTHO অন/অফ হবে
F9
 SNAP অন/অফ হবে

ডাউনলোড
অটোক্যাড এস সব কী গুলি একত্রে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
0 comments